ক্রিপ্টোকারেন্সির মৌলিক বিশ্লেষণের গাইড
সুচিপত্র
ভূমিকা
মৌলিক বিশ্লেষণ (FA) কী?
ক্রিপ্টোর মৌলিক বিশ্লেষণে সমস্যা
অন-চেইন মেট্রিক্স
প্রজেক্টের মেট্রিক্স
ফাইন্যান্সিয়াল মেট্রিক্স
মৌলিক বিশ্লেষণের সূচক, মেট্রিক্স ও ট্যুল
মেট্রিক্স একত্রিত করা ও FA সূচক তৈরি করা
গুরুত্বপূর্ণ FA সূচক ও মেট্রিক্স
নেটওয়ার্ক ভ্যালু টু ট্রান্সেকশন অনুপাত (NVT)
মার্কেট ভ্যালু টু রিয়েলাইজড ভ্যালু রেশিও (MVRV)
স্টক-টু-ফ্লো মডেল
মৌলিক বিশ্লেষণ ট্যুলের উদাহরণ
Baserank
ক্রিপ্টো ফি
গ্লাসনোড স্টুডিও
শেষ কথা
ক্রিপ্টোকারেন্সির মৌলিক বিশ্লেষণের গাইড
হোম
নিবন্ধ
ক্রিপ্টোকারেন্সির মৌলিক বিশ্লেষণের গাইড

ক্রিপ্টোকারেন্সির মৌলিক বিশ্লেষণের গাইড

প্রকাশিত হয়েছে Sep 21, 2020আপডেট হয়েছে Nov 11, 2022
21m

TL;DR

ক্রিপ্টোর মৌলিক বিশ্লেষণে কোনো ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাসেট সম্পর্কে উপলভ্য তথ্যের গভীরে ডুব দেওয়া হয়। যেমন, আপনি এটির ব্যবহার ক্ষেত্র, এটি ব্যবহার করার লোকের সংখ্যা বা প্রজেক্টটির পিছনে থাকা দলটি নিয়ে পরীক্ষা করতে পারেন।

আপনার লক্ষ্য হল অ্যাসেটটি অতিমূল্যায়িত বা অবমূল্যায়িত কিনা সে বিষয়ে একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছানো। এই পর্যায়ে, আপনি আপনার ট্রেডিং পজিশনকে প্রভাবিত করতে আপনার ইনসাইট ব্যবহার করতে পারেন।


ভূমিকা

ক্রিপ্টোকারেন্সির মতো অস্থির অ্যাসেট ট্রেডের জন্য কিছু দক্ষতার প্রয়োজন হয়। কোনো কৌশল নির্বাচন করা, ট্রেডিংয়ের বিশাল জগতকে বোঝা এবং প্রযুক্তিগতমৌলিক বিশ্লেষণে দক্ষতা অর্জনের অনুশীলন শেখার ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত থাকে।

প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে, কিছু দক্ষতা লিগ্যাসি ফাইন্যান্সিয়াল মার্কেট থেকে পাওয়া যেতে পারে। অনেক ক্রিপ্টো ট্রেডার ফরেক্স, স্টক ও কমোডিটি ট্রেডিং-এ পাওয়া একই প্রযুক্তিগত সূচক ব্যবহার করে। RSI, MACD, ও বলিঞ্জার ব্যান্ডের মতো সরঞ্জামগুলো কোনো অ্যাসেট ট্রেড করা হচ্ছে তা নির্বিশেষে মার্কেট আচরণের পূর্বাভাস প্রয়াস চালায়। সে কারণে, প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের এই সরঞ্জামগুলোও ক্রিপ্টোকারেন্সি স্পেসে অত্যন্ত জনপ্রিয়।

পদ্ধতিটি লিগ্যাসি মার্কেটে ব্যবহৃত পদ্ধতির মত হলেও, ক্রিপ্টোকারেন্সির মৌলিক বিশ্লেষণে আপনি ক্রিপ্টো অ্যাসেট মূল্যায়ন করার জন্য পরীক্ষিত ট্যুল ব্যবহার করতে পারবেন না। ক্রিপ্টোকারেন্সির সঠিক FA করার জন্য, আমাদের বুঝতে হবে যে তারা কোথা থেকে ভ্যালু অর্জন করে।

এই নিবন্ধে, আমরা এমন মেট্রিক শনাক্ত করার চেষ্টা করবো যা আপনার নিজস্ব সূচক তৈরি করতে ব্যবহার করা যাবে।


মৌলিক বিশ্লেষণ (FA) কী?

মৌলিক বিশ্লেষণ (FA) এমন একটি পন্থা যা বিনিয়োগকারীরা কোনো অ্যাসেট বা ব্যবসার "প্রকৃত মূল্য" নির্ধারণ করতে ব্যবহার করেন। কিছু সংখ্যক অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক নিয়ামক পরীক্ষা করার মাধ্যমে তাদের মূল লক্ষ্য হল উক্ত অ্যাসেট বা ব্যবসা অতিমূল্যায়িত নাকি অবমূল্যায়িত তা নির্ধারণ করা। তারপর তারা কৌশলগতভাবে পজিশনে প্রবেশ বা প্রস্থান করতে সেই তথ্য ব্যবহার করতে পারে।

প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণও মূল্যবান ট্রেডিং সরবরাহ করে, কিন্তু এটি ভিন্ন ভিন্ন ইনসাইট দেয়। TA ব্যবহারকারীরা বিশ্বাস করেন যে তারা অ্যাসেটের অতীত পারফর্ম্যান্সের উপর ভিত্তি করে ভবিষ্যৎ মূল্যের ওঠানামার পূর্বাভাস দিতে পারেন। এটি ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন শনাক্ত করে ও আবশ্যক সূচকগুলো অধ্যয়ন করে অর্জন করা হয়।

প্রথাগত মৌলিক বিশ্লেষকগণ সাধারণত তাদের নিজেদের মূলায়ন অনুযায়ী ব্যবসায়ের প্রকৃত মূল্য বের করতে ব্যবসায়ের মেট্রিক্স পরীক্ষা করেন। ব্যবহৃত সূচকগুলোর মধ্যে রয়েছে শেয়ার প্রতি আয় (প্রতিটি বকেয়া শেয়ারের জন্য কোনো কোম্পানি কতটা মুনাফা করে), বা প্রাইস-টু-বুক অনুপাত (বিনিয়োগকারীরা কিভাবে কোম্পানিকে মূল্যায়ন করে বনাম এটির বুক ভ্যালু)। তারা কোনো নিশের মধ্যে বেশ কয়েকটি ব্যবসার জন্য এটি করতে পারে, যেমন, তাদের সম্ভাব্য বিনিয়োগ অন্যগুলোর তুলনায় কেমন করে তা নির্ধারণ করতে।

মৌলিক বিশ্লেষণের আরো সামগ্রিক পরিচিতির জন্য দেখুন মৌলিক বিশ্লেষণ কী?


ক্রিপ্টোর মৌলিক বিশ্লেষণে সমস্যা

ক্রিপ্টোকারেন্সি নেটওয়ার্কগুলোকে প্রথাগত ব্যবসার মতো একই লেন্সের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা যাবে না। যদি কিছুটা যায়ও, তাহলে বিটকয়েন (BTC) এর মতো অধিক বিকেন্দ্রীভূত অফারগুলো কমোডিটির কিছুটা কাছাকাছি হয়। কিন্তু এমনকি আরো কেন্দ্রীভূত ক্রিপ্টোকারেন্সির (যেমন সংস্থা কর্তৃক ইস্যু করা) ক্ষেত্রে প্রথাগত FA সূচকগুলো আমাদের বেশি কিছু জানাতে পারে না।

সুতরাং, আমাদের মনোযোগকে ভিন্ন কাঠামোর দিকে ঘুরাতে হবে। সেই প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ হল শক্তিশালী মেট্রিক্স শনাক্ত করা। শক্তিশালী বলতে আমরা সেগুলোকে বোঝাই যেগুলোকে সহজে প্রভাবিত করা যায় না। যেমন, টুইটার ফলোয়ার বা টেলিগ্রাম/রেডিট ব্যবহারকারীরা সম্ভবত খুব ভালো মেট্রিক্স নয়, কারণ ফেইক অ্যাকাউন্ট তৈরি করা বা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ক্রয়ের এনগেজমেন্ট সহজ।

এটা মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে এমন কোনো একক পরিমাপ নেই যা আমাদের মূল্যায়ন করা নেটওয়ার্কের একটি সম্পূর্ণ ছবি দিতে পারে। আমরা ব্লকচেইনে সক্রিয় ঠিকানার সংখ্যা দেখতে পারি আর দেখতে পারি যে এটি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু এই সংখ্যায় আমরা তেমন কোনো কিছু বুঝতে পারবো না। নিশ্চিতভাবে শুধু এটাই জানা যাবে যে, এটি কোনো স্বতন্ত্র ব্যক্তি যে প্রতিবার নতুন ঠিকানা দিয়ে নিজের কাছে অর্থ ট্রান্সফার করছে।

নিম্নোক্ত সেকশনে, আমরা ক্রিপ্টোর FA মেট্রিক্সের তিনটি ক্যাটাগরি দেখবো: অন-চেইন মেট্রিক্স, প্রজেক্ট মেট্রিক্সফাইন্যান্সিয়াল মেট্রিক্স। এই তালিকাটি অ-সম্পূর্ণ হবে, তবে এটি আমাদের পরবর্তী নির্দেশক তৈরির জন্য একটি উপযুক্ত ভিত্তি প্রদান করবে।


অন-চেইন মেট্রিক্স

অন-চেইন মেট্রিক্স ইলাস্ট্রেশন


ব্লকচেইন কর্তৃক প্রদত্ত ডেটা দেখে পর্যবেক্ষণ করা যায় এমন মেট্রিক্সই হল অন-চেইন মেট্রিক্স। আমরা পছন্দসই নেটওয়ার্কের জন্য একটি নোড চালিয়ে ও তারপরে ডেটা এক্সপোর্ট করে এটি নিজেরাই করতে পারি, তবে এটি সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল হতে পারে। বিশেষ করে আমরা যদি শুধুমাত্র বিনিয়োগের বিষয়টি বিবেচনা করি এবং সময় বা অ্যাসেট নষ্ট করতে না চাই।

বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত জানানোর উদ্দেশ্যে বিশেষভাবে ডিজাইন করা ওয়েবসাইট বা API থেকে তথ্য সংগ্রহ করা সমাধান হিসেবে আরো সহজ। উদাহরণস্বরূপ, CoinMarketCap-এর বিটকয়েনের অন-চেইন বিশ্লেষণ আমাদেরকে প্রচুর তথ্য প্রদান করে। অতিরিক্ত উত্সগুলোর মধ্যে রয়েছে কয়েনমেট্রিক্সের ডেটা চার্ট বা Binance রিসার্চের প্রজেক্ট প্রতিবেদন


লেনদেনের সংখ্যা

লেনদেনের সংখ্যা কোনো নেটওয়ার্কের সংঘটিত কার্যকলাপের একটি ভালো পরিমাপক। নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সংখ্যা প্লট করে (বা মুভিং অ্যাভারেজ ব্যবহার করে), আমরা সময়ের সাথে সাথে কার্যকলাপ কিভাবে পরিবর্তিত হয় তা দেখতে পারি।

মনে রাখবেন যে এই মেট্রিক নিয়ে সাবধানতার সাথে কাজ করতে হবে। সক্রিয় ঠিকানাগুলোর ক্ষেত্রে, শুধুমাত্র একটি পক্ষই যে অন-চেইন কার্যকলাপকে ফুলিয়ে ফাপিয়ে দেখানোর জন্য তাদের নিজস্ব ওয়ালেটের মধ্যে ফান্ড ট্রান্সফার করছে না তা আমরা নিশ্চিত হতে পারি না।


লেনদেনের ভ্যালু

লেনদেনের সংখ্যার সাথে মেলানো যাবে না, লেনদেনের ভ্যালু আমাদেরকে কোনো সময়ের মধ্যে কত ভ্যালু লেনদেন করা হয়েছে তা জানায়। উদাহরণস্বরূপ, যদি একই দিনে প্রতিটি $50 মূল্যের মোট দশটি ইথিরিয়াম লেনদেন হয়, তাহলে আমরা বলবো যে দৈনিক লেনদেনের পরিমাণ ছিল $500। আমরা এটিকে USD-এর মতো কোনো ফিয়াট মুদ্রায় পরিমাপ করতে পারি অথবা আমরা এটিকে প্রোটোকলের নেটিভ ইউনিটে (ETH) পরিমাপ করতে পারি।


সক্রিয় ঠিকানা

সক্রিয় ঠিকানা হল সেই ব্লকচেইন ঠিকানা যা কোনো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সক্রিয় থাকে। এটি গণনা করার পদ্ধতিগুলো ভিন্ন ভিন্ন হয়, তবে একটি জনপ্রিয় পদ্ধতি হল প্রতিটি লেনদেনের প্রেরক ও প্রাপক উভয়কেই নির্দিষ্ট সময়ের (যেমন, দিন, সপ্তাহ বা মাস) গণনা করা। কেউ কেউ সামষ্টিকভাবে ইউনিক ঠিকানার সংখ্যা পরীক্ষা করে, যার অর্থ তারা সময়ের সাথে মোট সংখ্যা ট্র্যাক করে।


পরিশোধিত ফি

সম্ভবত অন্যগুলোর তুলনায় কিছু কিছু ক্রিপ্টো অ্যাসেটের জন্য অধিক গুরুত্বপূর্ণ, পরিশোধিত ফি আমাদেরকে ব্লক স্পেসটির চাহিদা সম্পর্কে জানাতে পারে। এগুলোকে আমরা কোনো নিলামের বিড হিসেবে ভাবতে পারি: সময়মত ব্যবহারকারীদের লেনদেন অন্তর্ভুক্ত করার জন্য তারা একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতা করে। যারা বেশি বিড করছে তারা দ্রুত তাদের লেনদেন নিশ্চিত (মাইন করা) দেখতে পাবে, আর কম বিডকারীদের আরো অপেক্ষা করতে হবে।

হ্রাসমান ইমিশনের পরিকল্পনা থাকা ক্রিপ্টোকারেন্সির ক্ষেত্রে, অধ্যয়নের জন্য এটি একটি আকর্ষণীয় মেট্রিক। প্রথম সারির প্রুফ-অব-ওয়ার্ক (PoW) ব্লকচেইনগুলো ব্লক পুরস্কার প্রদান করে। কোনো কোনোটিতে, এটি ব্লক ভর্তুকি ও লেনদেন ফি দ্বারা গঠিত হয়। ব্লক ভর্তুকি পর্যায়ক্রমে (বিটকয়েন অর্ধেক হওয়া এর মতো ঘটনাগুলোতে) হ্রাস পায়।

মাইনিংয়ের খরচ সময়ের সাথে সাথে বাড়তে থাকার পরিস্থিতিতে ব্লক ভর্তুকি ধীরে ধীরে হ্রাস পাওয়ায়, এটি বোধগম্য যে লেনদেনের ফি বাড়াতে হবে। অন্যথায়, মাইনারদের লোকসান হবে এবং নেটওয়ার্ক থেকে চলে যেতে শুরু করবে। চেইনের নিরাপত্তার উপর এটি পরোক্ষ প্রভাব (Knock-on Effect) ফেলে।


হ্যাশ রেট ও স্ট্যাক করা পরিমাণ

ব্লকচেইনগুলো এখন বিভিন্ন কনসেনশাস অ্যালগরিদম ব্যবহার করে, যেগুলোর প্রত্যেকটিরই নিজস্ব প্রক্রিয়া রয়েছে। নেটওয়ার্ক সুরক্ষিত করার ক্ষেত্রে এগুলো একটি অবিচ্ছেদ্য ভূমিকা পালন করায়, এগুলো সম্পর্কিত ডেটা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা মৌলিক বিশ্লেষণের জন্য কাজের হতে পারে।

হ্যাশ রেট প্রায়শই প্রুফ অফ ওয়ার্ক ক্রিপ্টোকারেন্সিতে নেটওয়ার্কের স্বাস্থ্যের পরিমাপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। হ্যাশ রেট যত বেশি হবে 51% আক্রমণ সফলভাবে মাউন্ট করা তত কঠিন হবে। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে বৃদ্ধি হওয়াকে মাইনিংয়ের প্রতি ক্রমবর্ধমান আগ্রহকে নির্দেশ করতে পারে, সম্ভবত সস্তা ওভারহেড ও উচ্চ মুনাফার কারণে। বিপরীতভাবে, হ্যাশ রেট কমে যাওয়া মাইনারদের অফলাইনে ("মাইনার ক্যাপিট্যুলেশন") চলে যাওয়াকে নির্দেশ করে কারণ নেটওয়ার্ক সুরক্ষিত রাখা তাদের পক্ষে আর লাভজনক নয়।

মাইনিংয়ের সামগ্রিক খরচকে প্রভাবিত করতে পারে এমন নিয়ামকের কয়েকটির মধ্যে রয়েছে অ্যাসেটের বর্তমান মূল্য, প্রক্রিয়াকৃত লেনদেনের সংখ্যা ও পরিশোধ করা ফি। অবশ্যই, মাইনিংয়ের প্রত্যক্ষ খরচগুলোও (বিদ্যুৎ, কম্পিউটিং শক্তি) বিবেচনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

স্ট্যাকিং (উদাহরণস্বরূপ, স্ট্যাকের প্রমাণে) হল PoW মাইনিং-এ অনুরূপ গেম থিওরিসহ সংশ্লিষ্ট আরেকটি ধারণা। প্রক্রিয়া হিসেবে, যদিও, এটি ভিন্নভাবে কাজ করে। মূল ধারণা হল যে ব্যবহারকারীরা ব্লক ভ্যালিডেশনে অংশগ্রহণের জন্য তাদের নিজস্ব হোল্ডিং স্ট্যাক করে। সে কারণে, আমরা সুদের (বা এর অভাব) পরিমাপ করার জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময়ে স্ট্যাক থাকা পরিমাণ পরীক্ষা করে দেখতে পারি।


প্রজেক্টের মেট্রিক্স

প্রজেক্ট মেট্রিক্স ইলাস্ট্রেশন


অন-চেইন মেট্রিকগুলো পর্যবেক্ষণযোগ্য ব্লকচেইন ডেটার সাথে সম্পর্কিত, আর প্রজেক্ট মেট্রিক্স একটি গুণগত পদ্ধতি নিয়ে কাজ করে, যা দলের পারফর্ম্যান্স (যদি থাকে), হোয়াইটপেপার ও আসন্ন রোডম্যাপের মতো বিষয়গুলোর দিকে নজর দেয়।


হোয়াইটপেপার

আপনি কোনো বিনিয়োগ করার আগে অবশ্যই যেকোনো প্রজেক্টের হোয়াইটপেপার পড়ে নিন। এটি একটি প্রযুক্তিগত ডকুমেন্ট যেটি আমাদেরকে ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রজেক্টের একটি সংক্ষিপ্ত ধারণা প্রদান করে। একটি কার্যকর হোয়াইটপেপার নেটওয়ার্কের লক্ষ্য নির্দিষ্ট করবে এবং সাধারণত নিম্নোক্ত বিষয়গুলো সম্পর্কে আমাদেরকে ইনসাইট প্রদান করবে:

  • ব্যবহৃত প্রযুক্তি (এটি কি ওপেন সোর্স?)

  • ব্যবহারের ক্ষেত্র(সমূহ) যা এটি পূরণ করার লক্ষ্য রাখে

  • আপগ্রেড ও নতুন বৈশিষ্ট্যের রোডম্যাপ

  • কয়েন বা টোকেনের জন্য সরবরাহ ও বিতরণের স্কিম

প্রজেক্টের আলোচনার সাথে এই তথ্যটি ক্রস-রেফারেন্স করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। অন্যান্য মানুষজন এটি সম্পর্কে কী বলছে? কোনো গুরুত্বপুর্ণ সমস্যা উত্থাপিত হয়েছে? লক্ষ্যকে কি বাস্তবসম্মত মনে হয়?


দল

ক্রিপ্টোকারেন্সি নেটওয়ার্কের পিছনে যদি নির্দিষ্ট কোনো দল থাকে তাহলে এর সদস্যদের ট্র্যাক রেকর্ডগুলো প্রজেক্টটি সফল করার জন্য টিমের প্রয়োজনীয় দক্ষতা আছে কিনা তা প্রকাশ করতে পারে। সদস্যরা কি আগে এই শিল্পে সফল উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন? উদ্দিষ্ট মাইলফলকে পৌঁছানোর জন্য তাদের দক্ষতা কি যথেষ্ট? তারা কি কখনও কোনো সন্দেহজনক প্রজেক্ট বা স্ক্যামে জড়িত ছিল?

কোনো দল না থাকলে ডেভেলপার কমিউনিটি কেমন? প্রজেক্টের যদি কোনো পাবলিক GitHub থাকে, তাহলে কতজন অবদানকারী আছে ও কতটা কার্যকলাপ আছে তা দেখতে পরীক্ষা করুন। ধারাবাহিকভাবে ডেভলপমেন্ট এগিয়ে যাওয়া কোনো কয়েন অনেক বেশি আকর্ষণীয় হতে পারে সেই কয়েনের তুলনায় যার রিপোজিটরি দুই বছরেও আপডেট হয়নি।


প্রতিযোগীগণ

ক্রিপ্টো অ্যাসেটটির লক্ষ্যমাত্রার ব্যবহার ক্ষেত্র সম্পর্কে কোনো শক্তিশালী হোয়াইটপেপারের আমাদেরকে একটি ধারণা দিতে পারা উচিত। এই পর্যায়ে, এটি যে প্রজেক্টগুলোর সাথে প্রতিযোগিতা করছে এবং পাশাপাশি এটি যে লিগ্যাসি অবকাঠামো প্রতিস্থাপন করতে চায় তা চিহ্নিত করা গুরুত্বপূর্ণ।

আদর্শভাবে, এগুলোর মৌলিক বিশ্লেষণ ঠিক ততটাই যথাযথ হতে হবে। কোনো অ্যাসেট দেখতে আকর্ষণীয় দেখাতে পারে, কিন্তু একই ধরনের ক্রিপ্টো অ্যাসেটের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা একই সূচকগুলো আমাদেরকে অন্যদের তুলনায় দুর্বল বলে প্রকাশ করতে পারে।


টোকেনমিক্স ও প্রাথমিক বিতরণ

কিছু কিছু প্রজেক্ট সমস্যা খুঁজতে থাকা সমাধান হিসেবে টোকেন তৈরি করে। এটি বলা হচ্ছে না যে প্রজেক্টটি কার্যকর নয়, তবে এটির সাথে সংশ্লিষ্ট টোকেন এই পরিস্থিতিতে বিশেষভাবে কার্যকর নাও হতে পারে। সে কারণে, টোকেনের প্রকৃত উপযোগিতা আছে কিনা তা নির্ধারণ করা গুরুত্বপূর্ণ। এবং তারই ধারাবাহিকতায়, সেই ইউটিলিটি এমন কিছু কিনা যা বিস্তৃত মার্কেট চিনবে ও এটি ইউটিলিটিকে কতটা ভ্যালু দেবে।

এই প্রসঙ্গে বিবেচনা করার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল প্রাথমিকভাবে ফান্ড কিভাবে বিতরণ করা হয়েছিল। এটি কি কোনো ICO বা IEO এর মাধ্যমে হয়েছিল নাকি ব্যবহারকারীরা মাইনিং-এর মাধ্যমে এটি উপার্জন করতে পারে? পূর্বেরটির ক্ষেত্রে, হোয়াইটপেপারে প্রতিষ্ঠাতা ও দলের জন্য কতটা রাখা হয়েছে ও বিনিয়োগকারীদের জন্য কতটা পাওয়া যাবে তার রূপরেখা থাকতে হবে। পরেরটির ক্ষেত্রে, আমরা অ্যাসেটের নির্মাতার প্রিমিনিং-এর (এটি ঘোষণার আগে নেটওয়ার্কে মাইনিং) প্রমাণ দেখতে পারি।

বিতরণের উপর ফোকাস করলে আমরা বিদ্যমান যেকোনো ঝুঁকি সম্পর্কে ধারণা পেতে পারি। উদাহরণস্বরূপ, সরবরাহের বিশাল অংশ যদি শুধুমাত্র কয়েকটি পক্ষের মালিকানাধীন হয়, তবে আমরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারি যে এটি একটি ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ, কারণ সেই পক্ষগুলো শেষ পর্যন্ত মার্কেট নিয়ে কারসাজি করতে পারে।

cta


ফাইন্যান্সিয়াল মেট্রিক্স

ফাইন্যান্সিয়াল মেট্রিক্স ইলাস্ট্রেশন


অ্যাসেটটি বর্তমানে কিভাবে ট্রেড করে, আগে কী ট্রেড হয়েছিল, তারল্য ইত্যাদি সম্পর্কিত তথ্য মৌলিক বিশ্লেষণে কাজে আসতে পারে। তবে, ক্রিপ্টো অ্যাসেটের প্রোটোকলের অর্থনীতি ও প্রণোদনা সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আকর্ষণীয় মেট্রিক এই ক্যাটাগরির অধীনে পড়তে পারে।


মার্কেট মূলধন

মার্কেট মূলধন (বা নেটওয়ার্কের ভ্যালু) বর্তমান মূল্যের সাথে সঞ্চালিত সরবরাহকে গুণ করে গণনা করা হয়। মূলত, এটি ক্রিপ্টো অ্যাসেটের (কোনো স্লিপেজ নেই ধরে নিয়ে) উপলভ্য প্রতিটি ইউনিট কেনার অনুমানমূলক খরচের প্রতিনিধিত্ব করে।

শুধুমাত্র মার্কেট মূলধনে হিসাব বিভ্রান্তিকর হতে পারে। তাত্ত্বিকভাবে, দশ মিলিয়ন ইউনিটের সরবরাহ নিয়ে কোনো অকেজো টোকেন ইস্যু করা কঠিন কিছু নয়। যদি এই টোকেনগুলোর মধ্যে কেবলমাত্র একটিও $1-এ ট্রেড হয়, তাহলে মার্কেট ক্যাপ হবে $10 মিলিয়ন। এই মূল্যায়ন স্পষ্টতই বিকৃত – শক্তিশালী কোনো ভ্যালু প্রোপজিশন ছাড়া, বিস্তৃত মার্কেট এই টোকেনে আগ্রহী হবে এমন সম্ভাবনা খুবই কম।

এই বিষয়ে আরেকটি দিক হল, কোনো নির্দিষ্ট ক্রিপ্টোকারেন্সি বা টোকেনের কতগুলো ইউনিট সঞ্চালনে রয়েছে তা সঠিকভাবে নির্ধারণ করা অসম্ভব। কয়েন পোড়ানো হতে পারে, কী হারিয়ে যেতে পারে এবং ফান্ড ভুলে যাওয়া হতে পারে। এর পরিবর্তে আমরা এমন অনুমানগুলো বিবেচনা করি যেগুলোর প্রচলন না থাকা কয়েনকে ফিল্টার করে।

তা সত্ত্বেও, নেটওয়ার্কের প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা বের করতে মার্কেট মূলধন ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। কিছু কিছু ক্রিপ্টো বিনিয়োগকারী "লার্জ-ক্যাপ" কয়েনের তুলনায় "স্মল-ক্যাপ" কয়েনের বৃদ্ধির সম্ভাবনা বেশি বলে মনে করেন। অন্যরা মনে করেন যে লার্জ-ক্যাপের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক প্রভাব রয়েছে, এবং তাই অপ্রতিষ্ঠিত স্মল-ক্যাপের তুলনায় এটির অধিক সুযোগ রয়েছে।


তারল্য ও পরিমাণ

কোনো অ্যাসেট কত সহজে ক্রয় বা বিক্রয় করা যায় তারল্য হল তার সহজ একটি পরিমাপক। কোনো তরল অ্যাসেট হল এমন একটি অ্যাসেট যা এটির ট্রেডিং মূল্যে বিক্রয় করতে আমাদের কোনো সমস্যা হবে না। এমনই একটি সম্পর্কিত ধারণা হল কোনো তরল মার্কেট, যেটি একটি প্রতিযোগিতামূলক মার্কেট যা আস্কবিডে পরিপূর্ণ (যা একটি টাইট বিড-আস্কের মধ্যে ব্যবধানের দিকে নিয়ে যায়)।

কোনো অতরল মার্কেটে আমরা যে সমস্যার সম্মুখীন হতে পারি তা হল আমরা আমাদের অ্যাসেট একটি "ন্যায্য" মূল্যে বিক্রয় করতে পারবো না। বিষয়টি হল এই যে ট্রেড করতে ইচ্ছুক কোনো ক্রেতা নেই যে পরিস্থিতিতে আমাদের জন্য দুটি বিকল্প আছে: আস্ক কমানো বা তারল্য বৃদ্ধির জন্য অপেক্ষা করা।

ট্রেডিংয়ের পরিমাণ এমন একটি সূচক যা আমাদেরকে তারল্য নির্ধারণে সহায়তা করতে পারে। এটি কয়েকটি উপায়ে পরিমাপ করা যায় ও কোনো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কত ভ্যালু লেনদেন হয়েছে তা দেখায়। সাধারণত, চার্ট প্রতিদিনের ট্রেডিংয়ের পরিমাণ প্রদর্শন করে (নেটিভ ইউনিটে বা ডলারে)।

তারল্যের সাথে পরিচয় মৌলিক বিশ্লেষণের প্রেক্ষাপটে সহায়ক হতে পারে। শেষ পর্যন্ত, এটি সম্ভাব্য বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মার্কেট আগ্রহের নির্দেশক হিসেবে কাজ করে।


সরবরাহ ব্যবস্থা

কারো কারো কাছে, কোনো মুদ্রা বা টোকেনের সরবরাহ ব্যবস্থা হল বিনিয়োগের দৃষ্টিকোণ থেকে সবচেয়ে আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য। প্রকৃতপক্ষে, বিটকয়েন প্রবক্তাদের মধ্যে স্ট্যাক-টু-ফ্লো (S2F) অনুপাত এর মতো মডেলগুলোর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

সর্বোচ্চ সরবরাহ, সঞ্চালিত সরবরাহমুদ্রাস্ফীতির হার সিদ্ধান্ত প্রভাবিত করতে পারে। কিছু কিছু কয়েন সময়ের সাথে সাথে তৈরি করা নতুন ইউনিটের সংখ্যা কমিয়ে দেয়, যা বিনিয়োগকারীদের কাছে এগুলোকে আকর্ষণীয় করে তোলে এই ধারণার ভিত্তিতে যে নতুন ইউনিটের চাহিদা তাদের প্রাপ্যতাকে ছাড়িয়ে যাবে। 

অন্যদিকে, অনেক বিনিয়োগকারীরা কঠোরভাবে আরোপিত বিধিনিষেধকে দীর্ঘ মেয়াদে ক্ষতিকর মনে করতে পারে। এই ধরনের উদ্বেগ হতে পারে যে এটি কয়েন/টোকেনগুলোর ব্যবহারকে নিরুৎসাহিত করে কারণ ব্যবহারকারীরা তখন এগুলোকে মজুদ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। সমালোচনার আরেকটি দিক হল এই যে এটি অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে প্রাথমিক গ্রহণকারীদের পুরস্কৃত করে, যেখানে একটি স্থির মুদ্রাস্ফীতি নীতি নতুনদের জন্যও ন্যায্য হত।


মৌলিক বিশ্লেষণের সূচক, মেট্রিক্স ও ট্যুল

আমরা ইতোমধ্যেই প্রাথমিক বিশ্লেষণে ব্যবহৃত পরিমাণগত ও কখনও কখনও গুণগত ডেটা হিসেবে মেট্রিক্সকে নির্দিষ্ট করেছি। কিন্তু আলাদা আলাদাভাবে, এই মেট্রিক্স প্রায়শই পুরো চিত্র দেখায় না। কোনো মুদ্রার মৌলিক বিষয়ে গভীর ইনসাইট পেতে, আমাদেরকে সূচকগুলোর দিকেও নজর দিতে হবে।

সম্পর্ক বিশ্লেষণ সহজ করতে কোনো সূচক প্রায়শই পরিসংখ্যানগত সূত্র ব্যবহার করে একাধিক মেট্রিক্সকে একত্রিত করে। তবে, একটি মেট্রিক ও একটি সূচকের মধ্যে এখনও অনেক ওভারল্যাপ রয়েছে, যা সংজ্ঞাটিকে বেশ অস্পষ্ট করে তোলে। 

সক্রিয় ওয়ালেটের সংখ্যা মূল্যবান হলেও, গভীর ইনসাইট পেতে আমরা এটিকে অন্যান্য ডেটার সাথে একত্রিত করতে পারি। আপনি এটিকে মোট ওয়ালেটের শতাংশ হিসেবে নিতে পারেন বা কোনো কয়েনের মার্কেট ক্যাপকে সক্রিয় ওয়ালেটের সংখ্যা দিয়ে ভাগ করতে পারেন। এই গণনাটি আপনাকে সক্রিয় ওয়ালেট প্রতি হোল্ডের একটি গড় পরিমাণ দেবে। এই দুটিই আপনাকে নেটওয়ার্কের কার্যকলাপ ও অ্যাসেট হোল্ড করার ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের আস্থার উপর আপনার সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ প্রদান করবে। আমরা পরবর্তী সেকশনে এই বিষয়ে আরো বিস্তারিত আলোচনা করবো।

মৌলিক বিশ্লেষণের ট্যুলগুলো এই সকল মেট্রিক্স ও সূচকগুলোকে একত্রিত করা সহজ করে তোলে। আপনি ব্লকচেইন এক্সপ্লোরারগুলোতে র ডেটা দেখতে পেলেও, একটি অ্যাগ্রিগেটর বা ড্যাশবোর্ড আপনার সময়ের আরো দক্ষ ব্যবহার করবে। কিছু কিছু ট্যুল আপনাকে আপনার নির্বাচিত মেট্রিক্স দিয়ে আপনার নিজস্ব সূচক তৈরি করার সুযোগ দেয়।


মেট্রিক্স একত্রিত করা ও FA সূচক তৈরি করা

এখন যেহেতু আমরা মেট্রিক্স ও সূচকগুলোর মধ্যে পার্থক্যের সাথে পরিচিত, আসুন আমরা যে অ্যাসেটগুলোর নিয়ে কাজ করছি সেগুলোর আর্থিক স্বাস্থ্যকে আরো ভালোভাবে বোঝার জন্য আমরা কিভাবে মেট্রিক্সকে একত্রিত করি সে সম্পর্কে কথা বলি। এটি কেন করা হচ্ছে? আসলে, আমরা পূর্ববর্তী সেকশনে যেমনটি উল্লেখ করেছি, প্রতিটি মেট্রিকের ত্রুটি রয়েছে। উপরন্তু, আপনি যদি প্রতিটি ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রজেক্টের সংখ্যার সংগ্রহের দিকে তাকিয়ে থাকেন, তাহলে আপনি অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উপেক্ষা করছেন। নিম্নলিখিত দৃশ্যকল্পটি বিবেচনা করুন:


কয়েন A

কয়েন B

মার্কেট মূলধন

$100,000,000

$5,000,000

লেনদেনের সংখ্যা (6 মাস)

20,000,000

40,000,000

গড় লেনদেনের ভ্যালু (6 মাস)

$50

$100

সক্রিয় ঠিকানা (6 মাস)

30,000

2,000


বিচ্ছিন্নভাবে, যদি আমরা দুটি অফার তুলনা করি তাহলে সক্রিয় ঠিকানাগুলো আমাদেরকে কিছুই জানায় না। আমরা অবশ্যই বলতে পারি যে বিগত ছয় মাসে কয়েন A-তে কয়েন B-এর চেয়ে বেশি সক্রিয় ঠিকানা রয়েছে, কিন্তু এটি কোনো সামগ্রিক বিশ্লেষণ নয়। এই পরিসংখ্যান কিভাবে মার্কেট ক্যাপের সাথে সম্পর্কিত? কিংবা লেনদেনের সংখ্যার সাথে?

অধিক বিচক্ষণ পদ্ধতি হবে এমন যে কোনো একটি অনুপাত তৈরি করা যা আমরা কয়েন A-এর পরিসংখ্যানের কিছু ক্ষেত্রে প্রয়োগ করতে পারি, তারপর কয়েন B-এ ব্যবহৃত একই অনুপাতের সাথে এটি তুলনা করি। এইভাবে, আমরা অন্ধভাবে প্রতিটি কয়েনের পৃথক মেট্রিক্সের সাথে তুলনা করছি না। পরিবর্তে, আমরা স্বাধীনভাবে কয়েন মূল্যায়নের একটি মানদন্ড তৈরি করতে পারি। 

উদাহরণস্বরূপ, আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারি যে মার্কেট ক্যাপ ও লেনদেন সংখ্যার মধ্যে সম্পর্ক শুধুমাত্র মার্কেট ক্যাপের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যে ক্ষেত্রে, আমরা লেনদেনের সংখ্যা দ্বারা মার্কেট ক্যাপকে ভাগ করতে পারি। কয়েন A-এর ক্ষেত্রে আমরা অনুপাত পাই 5 ও কয়েন B-এর জন্য আমাদের অনুপাত 0.125।

শুধুমাত্র এই অনুপাত বিবেচনা করলে, হিসাব করা সংখ্যা কম হওয়ায় আমরা ভাবতে পারি যে কয়েন B-এর প্রকৃত মূল্য কয়েন A-এর চেয়ে বেশি। এর অর্থ হল কয়েন বি-তে মার্কেট ক্যাপের তুলনায় অনেক বেশি পরিমাণে লেনদেন হয়। অতএব, মনে হতে পারে যে কয়েন B-এর অধিক উপযোগিতা রয়েছে, অথবা কয়েন A-কে অতিমূলায়ন করা হচ্ছে। 

এই পর্যবেক্ষণগুলোর কোনোটিকেই বিনিয়োগের পরামর্শ হিসেবে নেওয়া যানে – এটি কেবল একটি উদাহরণ যে আমরা কিভাবে সামগ্রিক পরিস্থিতির একটি নির্দিষ্ট অংশ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারি। প্রজেক্টের লক্ষ্য ও কয়েনের কার্যকারিতা না বুঝে, আপনি মুদ্রা A-তে তুলনামূলকভাবে ছোট লেনদেনের সংখ্যা কি কোনো ইতিবাচক, নাকি নেতিবাচক অগ্রগতি তা নির্ধারণ করতে পারবেন না।

অনুরূপ একটি অনুপাত যা ক্রিপ্টোকারেন্সি মার্কেটে কিছুটা জনপ্রিয়তা দেখেছে তা হল NVT অনুপাত। বিশ্লেষক উইলি উ কর্তৃক তৈরি করা নেটওয়ার্ক ভ্যালু-টু-ট্রান্সেকশন অনুপাতকে "ক্রিপ্টো বিশ্বের প্রাইস-টু-আর্নিং অনুপাত" বলা হয়েছে। সহজ কথায়, এতে লেনদেন করা পরিমাণ (সাধারণত কোনো দৈনিক চার্টে) দিয়ে মার্কেট মূলধনকে (বা নেটওয়ার্ক ভ্যালু) ভাগ হয়।

আমরা শুধুমাত্র ব্যবহার করা যেতে পারে এমন সূচকগুলো নিয়ে কাজ করছি। মৌলিক বিশ্লেষণ মানে এমন একটি সিস্টেম তৈরি করা যা প্রজেক্টের মূল্যায়ন করতে সর্বত্র ব্যবহার করা যেতে পারে। গবেষণা যত মানসম্পন্ন হবে, আমাদেরকে তত বেশি ডেটা নিয়ে কাজ করতে হবে।


গুরুত্বপূর্ণ FA সূচক ও মেট্রিক্স

বেছে নেওয়ার জন্য প্রচুর সংখ্যক সূচক ও মেট্রিক্স রয়েছে। একজন শিক্ষানবিশের ক্ষেত্রে, প্রথমে সবচেয়ে জনপ্রিয় কিছু দিয়ে শুরু করুন। একেকটি সূচকে খন্ড খন্ড চিত্র পাওয়া যায়, তাই আপনার বিশ্লেষণে ভিন্ন ভিন্ন সূচক ব্যবহার করুন।


নেটওয়ার্ক ভ্যালু টু ট্রান্সেকশন অনুপাত (NVT)

স্টক বিশ্লেষণ করতে ব্যবহৃত প্রাইস-টু-আর্ন রেশিওর কথা যদি আপনি শুনে থাকেন, তাহলে নেটওয়ার্ক লেনদেনের ভ্যালুর সূচক (দৈনিক) অনুরূপ বিশ্লেষণ প্রদান করে। এটি কোনো কয়েনের মার্কেট মূলধনকে দৈনিক লেনদেনের পরিমাণ দ্বারা ভাগ করে গণনা করা হয়। 

আমরা কোনো কয়েনের মূখ্য (Underlying), সহজাত ভ্যালুর বিকল্প হিসেবে দৈনিক লেনদেনের পরিমাণ ব্যবহার করি। এই ধারণাটি এই অনুমানের উপর কাজ করে যে সিস্টেমে যত বেশি পরিমাণ চলাচল করবে, প্রজেক্টের ভ্যালু তত বেশি হবে। কোনো মুদ্রার মার্কেটমূল্য যদি বৃদ্ধি পায় আর দৈনিক লেনদেনের পরিমাণ ল্যাগ করে, তাহলে মার্কেটটি বাবলে প্রবেশ করতে পারে। মূখ্য মূল্যের ম্যাচ করা বৃদ্ধি ছাড়াই মূল্য বাড়ছে। বিপরীত ক্ষেত্রে, দৈনিক লেনদেনের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ার পরিস্থিতিতে কোনো মুদ্রা বা টোকেনের মূল্য স্থিতিশীল থাকতে পারে । এই দৃশ্যকল্পটি একটি সম্ভাব্য ক্রয়ের সুযোগের কথা বলতে পারে।

অনুপাতের মান যত বেশি হবে বাবল হওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি হবে। এই পয়েন্টটি সাধারণত NVT অনুপাত 90-95 এর উপরে হলে দেখা যায়। কোনো হ্রাসমান অনুপাত নির্দেশ করে যে ক্রিপ্টোর অতিমূল্যায়ন কম হচ্ছে। 


মার্কেট ভ্যালু টু রিয়েলাইজড ভ্যালু রেশিও (MVRV)

আমরা এই পরিসংখ্যানে ঢোকার আগে আমাদের বুঝতে হবে যে কোনো ক্রিপ্টো অ্যাসেটের রিয়েলাইজড ভ্যালু বলতে কী বোঝায়। মার্কেট ক্যাপ হিসেবে পরিচিত মার্কেট ভ্যালু মানে কেবলমাত্র বর্তমান মার্কেট মূল্য দিয়ে মুদ্রার মোট সরবরাহকে গুন। আর অন্যদিকে রিয়েলাইজড ভ্যালু, অ্যাক্সেস অযোগ্য ওয়ালেটে হারিয়ে যাওয়া কয়েন বাদ দেয়। 

ওয়ালেটে বসে থাকা কয়েনগুলোকে তাদের শেষ চলাচলের সময় মার্কেট মূল্য ব্যবহার করে মূল্যায়ন করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, ফেব্রুয়ারী 2016 থেকে ওয়ালেটে হারিয়ে যাওয়া একটি বিটকয়েনের মূল্য আনুমানিক $400 হবে।

আমাদের MVRV সূচক পেতে, আমরা কেবল রিয়েলাইজড ক্যাপ দ্বারা মার্কেট ক্যাপকে ভাগ করি। মার্কেট ক্যাপ যদি রিয়েলাইজড ক্যাপ থেকে অনেক বেশি হয়, তাহলে আমরা তুলনামূলকভাবে উচ্চ অনুপাত পাবো। 3.7 এর উপরে অনুপাত নির্দেশ করে যে কয়েনের অতিমূল্যায়নের কারণে ট্রেডাররা তাদের মুনাফা গ্রহণ করার কারণে সেল-অফ ঘটতে পারে। 

এই সংখ্যাটি ইঙ্গিত দেয় যে মুদ্রাটি বর্তমানে অতিমূল্যায়িত হতে পারে। আপনি 2014 (মোটামুটি 6-এর MRVR) ও 2018 (প্রায় 5-এর MRVR) সালে দুটি বড় বিটকয়েন সেল-অফ দেখতে পারেন। মান যদি খুব কম হয় ও 1-এর নীচে হয়, তাহলে মার্কেট অবমূল্যায়িত। এই পরিস্থিতিটি কেনার জন্য একটি ভাল সময় হবে কারণ ক্রয় চাপ বৃদ্ধি পায় ও মূল্য বাড়িয়ে দেয়।


স্টক-টু-ফ্লো মডেল

সাধারণত সীমিত সরবরাহ থাকা ক্রিপ্টোকারেন্সির মূল্যের জন্য স্টক-টু-ফ্লো সূচক হল একটি জনপ্রিয় সূচক। মডেলটি প্রতিটি ক্রিপ্টোকারেন্সিকে মূল্যবান ধাতু বা পাথরের মতো কোনো নির্দিষ্ট, দুষ্প্রাপ্য অ্যাসেট হিসেবে বিবেচনা করে। নতুন উৎস নেই এবং সরবরাহ সীমিত হবার কারণে, বিনিয়োগকারীরা এই অ্যাসেটগুলোকে ভ্যালু স্টোর হিসেবে ব্যবহার করে।

আমরা সঞ্চালনের মোট বিশ্বব্যাপী সরবরাহ নিয়ে প্রতি বছর উৎপাদিত পরিমাণ দ্বারা এটিকে ভাগ করে সূচকটি গণনা করি। বিটকয়েনে, আপনি সহজে পাওয়া সঞ্চালন পরিসংখ্যান ও নতুন মাইন করা কয়েনের ডেটা দিয়ে এটি করতে পারেন। মাইনিং থেকে হ্রাসমান রিটার্ন এটির অভাবকে প্রতিফলিত করে কোনো উচ্চ অনুপাতের দিকে পরিচালিত করে, যা অ্যাসেটটিকে আরো বেশি মূল্যবান করে তোলে। বিটকয়েন যেহেতু নিয়মিত বিরতিতে পুরস্কার অর্ধেক করার ইভেন্টের মধ্য দিয়ে যায়, সে কারণে আমরা এটি মার্কেটে নতুন কয়েনের প্রবাহে প্রতিফলিত দেখতে পাচ্ছি।


আপনি দেখতে পাচ্ছেন যে, স্টক-টু-ফ্লো বিটকয়েনের মূল্যের একটি তুলনামূলক ভালো সূচক। বিটকয়েনের মূল্য 365 দিনের গড় অনুপাতের উপর চাপানো হয়েছে ও একটি ভালো ম্যাচ প্রদর্শন করে। তবে মডেলটির কিছু ত্রুটি রয়েছে। 

উদাহরণস্বরূপ, বর্তমানে সোনার স্টক-টু-ফ্লো অনুপাত প্রায় 60, অর্থাৎ বর্তমান প্রবাহে সোনার বর্তমান সরবরাহ মাইন করতে 60 বছর সময় লাগবে। বিটকয়েন মোটামুটিভাবে প্রায় 20 বছরে 1600 অনুপাত পাওয়া অব্যাহত থাকবে যেটি মূল্যের পূর্বাভাস ও মার্কেট ক্যাপ নির্ধারণ করবে যা বিশ্বের বর্তমান অ্যাসেটের তুলনায় বেশি হবে। 

ঋণাত্মক মূল্যের পরামর্শ দেওয়ায় মুদ্রাসংকোচন ঘটলে স্টক-টু-ফ্লো মডেলের সমস্য হয়। মানুষজন যেহেতু তাদের ওয়ালেটের কী হারিয়ে ফেলবে এবং আর কোনো বিটকয়েন তৈরি হবে না, তাই আমরা একটি ঋণাত্মক অনুপাত দেখতে পাবো। আমরা যদি এটিকে গ্রাফিক্যালি প্রদর্শন করি তাহলে আমরা দেখতে পাবো যে স্টক-টু-ফ্লো এর অনুপাতের প্রবাহ অসীমের দিকে যায় ও তারপরে ঋণাত্মক হয়ে যায়।

আপনি এই মডেল সম্পর্কে যদি আরো জানতে আগ্রহী হন তবে আমাদের বিটকয়েন ও স্টক টু ফ্লো মডেল গাইড দেখুন।


মৌলিক বিশ্লেষণ ট্যুলের উদাহরণ

Baserank

Baserank হল ক্রিপ্টো অ্যাসেটের জন্য একটি গবেষণা প্ল্যাটফর্ম যা বিশ্লেষক ও বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে তথ্য ও পর্যালোচনাগুলো একত্রিত করে। প্রতিটি পর্যালোচনার স্কোরের গড় নেওয়ার পর ক্রিপ্টো 0 থেকে 100 পর্যন্ত সামগ্রিক স্কোর পায়। সাবস্ক্রাইবারদের জন্য কিছু প্রিমিয়াম পর্যালোচনা থাকলেও ফ্রি ব্যবহারকারীরা এখনও দল, উপযোগিতা ও বিনিয়োগের ঝুঁকিসহ সেকশনে বিভক্ত পর্যালোচনাগুলোর একটি ব্যাপক ওভারভিউ দেখতে পারেন। আপনার যদি সময় কম থাকে এবং কোনো প্রজেক্ট বা কয়েনের দ্রুত ওভারভিউর প্রয়োজন হয়, তাহলে Baserank-এর মতো একটি এগ্রিগেটর কাজটির জন্য উপযুক্ত। তবে, বিনিয়োগ করার আগে আপনার আগ্রহের প্রজেক্টগুলো সম্পর্কে আপনাকে বিস্তারিত জানতে হবে।


ক্রিপ্টো ফি

নাম থেকে আপনি হয়ত অনুমান করতে পারছেন, এই ট্যুলটি আপনাকে গত 24 ঘন্টা বা সাত দিনের প্রতিটি নেটওয়ার্কের ফি দেখায়। কোনো ব্লকচেইন নেটওয়ার্কের ট্রাফিক ও ব্যবহার বিশ্লেষণ করার ক্ষেত্রে এটি একটি সহজে ব্যবহারযোগ্য মেট্রিক। উচ্চ ফি থাকা নেটওয়ার্কগুলো সাধারণত প্রচুর চাহিদার সম্মুখীন হয়।

তবে, আপনার এই মেট্রিকটিকে শুধুমাত্র ফেস ভ্যালুতে গ্রহণ করবেন না। কিছু কিছু ব্লকচেইনকে কম ফি মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে, যা অন্যান্য নেটওয়ার্কের সাথে এটির তুলনা করাকে চ্যালেঞ্জিং করে তোলে। এই ক্ষেত্রগুলোতে, লেনদেনের পরিমাণ বা অন্য মেট্রিকের সাথে মিলিয়ে পরিমানটিকে দেখা ভালো হবে। উদাহরণস্বরূপ, ডজকয়েন বা কার্ডানোর মতো বড় মার্কেট ক্যাপের কয়েনগুলো তাদের সস্তা লেনদেন ফি'র কারণে সামগ্রিক চার্টের নীচে রয়েছে।


গ্লাসনোড স্টুডিও

গ্লাসনোড স্টুডিও অন-চেইন মেট্রিক্স ও ডেটার বিস্তৃত পরিসর থাকা একটি ড্যাশবোর্ড অফার করে। অফারে থাকা অধিকাংশ ট্যুলের মতো এটিও সাবস্ক্রিপশন-ভিত্তিক। তবে, এটি যে পরিমাণ ফ্রি অন-চেইন ডেটা অফার করে তা অপেশাদার বিনিয়োগকারীদের জন্য উপযুক্ত ও যথেষ্ট গভীর। ব্লকচেইন এক্সপ্লোরার ব্যবহার করে নিজে সংগ্রহ করার চেয়ে এক জায়গায় সকল তথ্য খুঁজে পাওয়া অনেক সহজ। গ্লাসনোডের প্রধান শক্তি হল বিপুল সংখ্যক মেট্রিক ক্যাটাগরি ও সাবক্যাটাগরি যেগুলো আপনি ব্রাউজ করতে পারেন। তবে, আপনি যদি Binance স্মার্ট চেইন প্রজেক্টগুলোতে আগ্রহী হন তবে আপনার সুযোগ এখানে খুব সীমিত।

প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের সাথে তাদের মেট্রিক্স একত্রিত করতে চাওয়া যেকারও জন্য, গ্লাসনোড স্টুডিও এর সকল চার্টিং ট্যুলসহ বিল্ট-ইন ট্রেডিংভিউ রয়েছে। সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় বিনিয়োগকারী ও ট্রেডারদের জন্য একাধিক ধরণের বিশ্লেষণ একত্রিত করা স্বাভাবিক। এক জায়গায় এই সবগুলো করতে পারা হচ্ছে একটি প্লাস।


শেষ কথা

সঠিকভাবে সম্পন্ন করা হলে মৌলিক বিশ্লেষণ ক্রিপ্টোকারেন্সি বিষয়ক এমন অমূল্য ইনসাইট প্রদান করতে পারে যা প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ পারে না। ট্রেড করার সময় কোনো নেটওয়ার্কের "প্রকৃত" ভ্যালু থেকে মার্কেট মূল্যকে আলাদা করতে পারা একটি চমৎকার দক্ষতা। অবশ্যই এমন কিছু জিনিস রয়েছে যা TA আমাদের বলতে পারে যা FA বলতে পারে না। এই কারণেই অনেক ট্রেডার এখন এই দুটির সংমিশ্রণ ব্যবহার করেন।

অন্যান্য অনেক কৌশলের মতোই, সবকিছুর জন্য উপযুক্ত এমন কোনো একক FA প্লেবুক নেই। আশা করছি, এই নিবন্ধটি আপনাকে ক্রিপ্টো অ্যাসেটের মাধ্যমে পজিশনে প্রবেশ বা প্রস্থান করার আগে বিবেচনা করতে হয় এমন কিছু বিষয় বুঝতে সাহায্য করবে।